অশ্বিন বলেন, ‘আসলে আমি এসব ম্যাচসেরার পুরস্কারের হিসাব রাখি না। যখনই আমি চেন্নাইয়ে খেলি, এটা দারুণ অনুভূতি। আমি এখানের স্ট্যান্ডে বসে প্রচুর টেস্ট ম্যাচ, আন্তর্জাতিক ম্যাচ দেখেছি। স্ট্যান্ডের সামনে এসে ভালো করে দেখানোর ব্যাপারটি দারুণ। এখানে লড়াই করার সুযোগ ছিল আমার। আমি অনেক সতীর্থকে আগে এরকম করতে দেখেছি। বিশেষ একটি ইনিংস ছিল, দ্বিতীয় দিন পর্যন্ত টিকে থাকতে পেরেছিলাম। বোলিংয়ের মাঝেই আমি বেঁচে থাকি ফলে বোলিংই আগে আসবে। স্বাভাবিকভাবে আমি একজন বোলারের মত চিন্তা করে থাকি তবে ব্যাটিংয়ের চিন্তাভাবনাতেও আমি মনোযোগ দিয়েছি। বিষয় দুটিকে আলাদা করে কাজ চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছি।
পিচের আচরণ প্রসঙ্গে অশ্বিন বলেন, ‘আসলে এই পিচে অনেক সময় ভালো বল করলেও আপনি রান দিয়ে ফেলতে পারেন। বাউন্স আছে অনেক। ভালো পিচে খেলার সুবিধা হল অনেকে ভেবে ফেলে ভারতের সব নিজেদের মাটি আছে, আমার মনে হয় ভারতে অনেক বিদেশি মাটিও আছে। ইডেন বা ধর্মশালায় যখন আমরা যাই তখন আসলে বাড়ির মত মনে হয় না। ফলে মাঝেমধ্যে লোকে অদ্ভুতভাবে এসব ভুল করে ফেলে।’
অশ্বিন আরও বলেন,সব জায়গায় ভিন্নতা আছে। এটা তো অস্ট্রেলিয়া নয় যে সব ম্যাচ মেলবোর্নে খেলব। পিচে বছরের বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ধরনের আচরণ থাকে। অনেক লাল মাটির পিচ আমরা হারিয়েছি। লাল মাটির পিচে অনেক বাউন্স থাকে। দেশে অনেক কালো মাটির পিচও রয়েছে আসলে। জায়গাভেদে পিচ লাল বা কালো হয়ে থাকে। এরকম বিভিন্ন পিচে খেলতে পারাটা আমার জন্য শিক্ষার ব্যাপার। বছরের পর বছর হয়েছে। এখানে বাউন্স আছে, ফলে কিছুটা খরুচে হতে হবে যেকোনো সময়ই।
