তিন সন্তানের জননী উম্মে হানি সেতু, ছোট সন্তানটির বয়স ১৬ মাস। তার বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়ায়, কিন্তু কখনো তিনি ঢাকায়, কখনো চট্টগ্রামে থাকেন।
বর্তমানে তিনি পালিয়ে বেড়াচ্ছেন, তবে সন্তানদের কাউকেই সঙ্গে রাখতে পারছেন না। এ ব্যাপারে দলের কেউ তার সন্তানদের খোঁজও রাখছে না, তাই তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।
সম্প্রতি একটি ভয়েস রেকর্ডে এই বিষয়গুলো তুলে ধরেন। ধারণা করা হচ্ছে, তিনি আওয়ামী লীগের কোনো মেসেঞ্জার গ্রুপে এটি পোস্ট করেছেন, যা পরে অনেকের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে।
উম্মে হানি সেতু ব্রাহ্মণবাড়িয়া যুব মহিলা লীগের সহসভাপতি হিসেবে রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন। গত ৫ আগস্ট হাসিনা সরকার পতনের পর তার বিরুদ্ধে তিনটি মামলা হয়, এবং বর্তমানে তিনি পলাতক।
তিনি তার ভয়েস রেকর্ডে বলেন, "দল করেছি কিন্তু কখনো ভালো জায়গায় রাখেনি। নেতারা বাঁকা করে তাকিয়েছে, কিন্তু তাদের দৃষ্টিভঙ্গি আমার সম্মান দেয়নি।"
রেকর্ডে তিনি প্রথমে নিজের পরিচয় দিয়ে বলেন, "আমার নামে তিনটি মামলা করা হয়েছে। আমি ও আমার কিছু সঙ্গী মামলা খেয়েছি। অনেক সিনিয়র নেত্রীর বিরুদ্ধে মামলা হয়নি। আমি খুব কষ্ট পাচ্ছি। তাদের ঘরে ছোট বাচ্চা নেই, কিন্তু আমার ১৬ মাসের একটি সন্তান আছে। তাকে ফেলে আমি ঢাকায় ও চট্টগ্রামে রয়েছি। কেউ আমার পরিবার সম্পর্কে খবর নেয় না।"
এছাড়া, তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, আন্দোলনের সময়েও যথেষ্ট সাপোর্ট পাননি। একবার প্রাকৃতিক কাজ সারতে গিয়ে এক নেতার বাড়িতে গেলে দেখেন তিনি স্ত্রীসহ খাবার খাচ্ছেন, অথচ আন্দোলনের পরিস্থিতি জানার জন্য কোনো কথা বলেননি।

