চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ বাজার এলাকায় বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষ রণক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে। শুক্রবার (২০ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা থেকে শুরু হওয়া এই সংঘর্ষে অন্তত অর্ধশতাধিক ব্যক্তি আহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মকিমাবাদ এলাকার সালাহউদ্দিন ও আক্তার হোসেন এবং টোরাগড় এলাকার মিজানুর রহমান সেলিমের মধ্যে আধিপত্য বিস্তারের বিষয়টি নিয়ে সংঘর্ষ শুরু হয়। উভয়পক্ষ স্থানীয় বিএনপির শীর্ষ নেতা ইঞ্জিনিয়ার মমিনুল হকের অনুসারী এবং জাতীয়তাবাদী যুবদলের নেতৃস্থানীয় সদস্য।
এই সংঘর্ষের ঘটনায় আহতদের স্থানীয়, কুমিল্লা এবং চাঁদপুরের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এদের মধ্যে সায়মন নামে এক কিশোরকে গুরুতর অবস্থায় কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। সংঘর্ষের সময় দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে।
রাত পৌঁনে ১২টায় প্রতিবেদন লেখার সময় পর্যন্ত প্রাণহানির কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। হাজীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ মহিউদ্দিন জানান, রাত ১১টার পর সেনাবাহিনী ও পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর পর পরিস্থিতি শান্ত হয়েছে।
জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মোহসীন উদ্দিন, সেনাবাহিনীর লে. কর্নেল মোয়াজ্জেম হোসেন, পুলিশ সুপার মুহম্মদ আব্দুর রকিব ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সুদীপ্ত রায় ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। পুলিশ সুপার জানান, সংঘর্ষে জড়িতদের গ্রেফতারে যৌথবাহিনী অভিযান চালাচ্ছে এবং সহিংসতায় জড়িতদের বিরুদ্ধে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।

