ভারত সরকার পেঁয়াজ রপ্তানির ওপর ৪০ শতাংশ শুল্ক কমিয়ে ২০ শতাংশ করার ফলে দাম কমতে শুরু করেছে। গত দু'দিনে দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর দিয়ে ২২৩ মেট্রিক টন পেঁয়াজ আমদানি করা হয়েছে, যার ফলে সব ধরনের পেঁয়াজের দাম কেজিতে ১০ থেকে ১৫ টাকা কমেছে।
বুধবার বিকেল থেকে রাত পর্যন্ত দিনাজপুর হিলি পাইকারি বাজার ঘুরে এ তথ্য পাওয়া গেছে। হিলি পাইকারি বাজারের আড়তদার শহিদুল ইসলাম জানান, দেশি পেঁয়াজ এখন ১০ টাকা কমে ১শ’ টাকায় এবং ভারতীয় পেঁয়াজ ১৫ টাকা কমে ৭৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
হিলি স্থলবন্দরের খুচরা ব্যবসায়ীরা জানাচ্ছেন, নতুন শুল্কায়নে ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি শুরু হয়েছে, ফলে দাম কমতে শুরু করেছে। যদি পেঁয়াজের কেজির দাম ৫০ থেকে ৬০ টাকার মধ্যে আসে, তবে সাধারণ ক্রেতাদের মধ্যে স্বস্তি ফিরবে।
পেঁয়াজ কিনতে আসা আরিফুল আলম বলেন, দেশের বাজারে নিত্যপণ্যের দাম অনিয়মিত। তিনি নিয়মিত বাজার মনিটরিংয়ের দাবি জানিয়েছেন। পূর্বে উপজেলা প্রশাসন ও ভোক্তা অধিদপ্তর বাজার মনিটরিং করত, কিন্তু বর্তমানে তা বন্ধ হয়ে গেছে, ফলে ব্যবসায়ীরা দাম বৃদ্ধি করছে।
হিলি বাজারের পেঁয়াজ বিক্রেতা রায়হান কবির জানান, ভারত থেকে নতুন শুল্কায়নে পেঁয়াজ আমদানি হচ্ছে, ফলে দাম কিছুটা কমছে। বর্তমানে দেশি পেঁয়াজ ১শ’ টাকা এবং ভারতীয় পেঁয়াজ ৭৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ক্রেতার সংখ্যা কম থাকলেও আমদানি অব্যাহত থাকলে দাম আরও কমতে পারে।
হিলি স্থলবন্দরের আমদানি-রপ্তানিকারক সমিতির সভাপতি সাখাওয়াত হোসেন শিল্পী বলেন, ভারত সরকার শুল্ক কমানোর ফলে দেশে বেশি পেঁয়াজ আমদানি হলে দাম কমবে।
হিলি স্থলবন্দর কাস্টমসের উদ্ভিদ বিভাগের সহকারী কর্মকর্তা মোহাম্মদ ইউসুফ আলী জানান, বুধবার বিকেল পর্যন্ত ভারত থেকে ৪ ট্রাকে ১শ’ মেট্রিক টন এবং মঙ্গলবার ১২৩ মেট্রিক টনসহ মোট ২২৩ মেট্রিক টন পেঁয়াজ আমদানি হয়েছে। এই কার্যক্রম প্রতিদিন চলমান থাকবে বলে তিনি আশ্বস্ত করেন।

