জানা গেলো কাদের সহয়তায় গভীর রাতে পালিয়ে যান ওবায়দুল কাদের

mahmud
0

 


শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে সরকারের মন্ত্রী, সংসদ সদস্য (এমপি), আওয়ামী লীগের বিভিন্ন স্তরের নেতা-কর্মী এবং পুলিশের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা জনরোষ ও গ্রেপ্তার থেকে বাঁচতে আত্মগোপনে চলে যাচ্ছেন। অনেকেই গোপনে সীমান্ত পেরিয়ে দেশ ছেড়েছেন। দালাল ও ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের ‘ম্যানেজ’ করতে গিয়ে কেউ কেউ প্রতারণার শিকার হয়েছেন এবং গ্রেপ্তারও হয়েছেন। বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে, ভারতে প্রবেশ করতে কেউ কেউ কোটি টাকা পর্যন্ত দিয়েছেন, এবং কেউ ২০ লাখ টাকার নিচে ঢুকতে পারেননি।


সাবেক মন্ত্রীদের মধ্যে কয়েকজন ছাড়া বেশিরভাগই দেশ ছাড়ার জন্য ভারত সীমান্ত বেছে নিয়েছেন। যশোর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, কুমিল্লা, হবিগঞ্জ, সিলেট, দিনাজপুরের হিলি ও পঞ্চগড়ের বাংলাবান্ধা সীমান্ত দিয়ে পালিয়েছেন তারা। এসব সীমান্তে চক্র গড়ে উঠেছে, যারা প্রভাবশালী ব্যক্তিদের পারাপারে সহায়তা করে বিপুল অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে বলে দৈনিক যুগান্তরের একটি প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।


প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, শেখ হাসিনার পালানোর পর ৫ আগস্ট মধ্যরাতে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের যশোরে পৌঁছান এবং পরদিন বিশেষ প্রহরায় সীমান্ত পেরোন। যদিও এসব তথ্য নিশ্চিত করা হলেও সূত্রগুলো পরিচয় প্রকাশ করতে চায়নি।


এছাড়া বেনাপোল ছাড়াও আওয়ামী লীগের বেশ কয়েকজন নেতা পুটখালী ঘাট দিয়ে ভারতে প্রবেশ করেছেন। তবে ভারতীয় সীমান্তে পালানোর সময় ঝুঁকি নিয়ে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ইসহাক আলী খান পান্না দালালদের হাতে নির্যাতিত হয়ে নিহত হন। তার অর্ধগলিত লাশ পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ উদ্ধার করে।


স্থানীয়রা জানিয়েছেন, দালালদের সহায়তায় একের পর এক আওয়ামী লীগ নেতা ভারতে পালিয়ে যাওয়ায় অনেকে ক্ষুব্ধ। সন্দেহজনক কাউকে দেখলে স্থানীয়রা বিজিবির হাতে তুলে দিচ্ছেন।

Post a Comment

0 Comments
Post a Comment (0)
To Top