জিততে হলে বাংলাদেশের জন্য রান তাড়ার নতুন বিশ্ব রেকর্ড গড়তে হবে। তবে তাতেও বাংলাদেশকে বেশিরভাগ সময় দমে যেতে দেখা যায়নি, বিশেষ করে জাকির হাসান ও সাদমান ইসলামের শুরুটা দেখলে। কিন্তু সেই ছন্দ ধরে রাখতে পারেনি টাইগাররা। ৮৬ রানে ১ উইকেট থাকাবস্থায় ১৪৬ রানের মধ্যে তারা হারায় আরও ৩ উইকেট। তবে নাজমুল হোসেন শান্ত আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ে ফিফটি করে সফরকারীদের আশার আলো দেখাচ্ছেন। তৃতীয় দিন শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৪ উইকেটে ১৫৮ রান। শান্ত ৬০ বল খেলে ৫১ রানে অপরাজিত, সাকিব আল হাসান ৫ রানে অপরাজিত। জয়ের জন্য এখনও প্রয়োজন ৩৫৭ রান, আর ভারতের প্রয়োজন ৬ উইকেট।
বাংলাদেশের শুরুটা ভালো ছিল, ওপেনিং জুটিতে ৬২ রান যোগ করে তারা। এটা ভারতের বিপক্ষে টেস্টে ওপেনিংয়ে সর্বোচ্চ রান জুটি। দ্বিতীয়বারের মতো ওপেনিং জুটিতে ৫০ রানের বেশি তুললেন জাকির ও সাদমান, এর আগে রাওয়ালপিন্ডির দ্বিতীয় টেস্টের দ্বিতীয় ইনিংসে তারা ৫৮ রান তুলেছিলেন।
দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটিংয়ে নেমে জাকির ভারতীয় বোলারদের উপর চাপ সৃষ্টি করে খেলেছেন। নতুন বলে জাসপ্রিত বুমরাহ ও আকাশ দীপদের বিপক্ষে সুবিধা নিতে দেননি তিনি। মোহাম্মদ সিরাজের এক ওভারে দুটি বাউন্ডারি ও একটি ছক্কা মেরেছেন। কিন্তু ৪৭ বলে ৩৩ রান করে বুমরাহর কাছে আউট হয়ে যান।
প্রথম ইনিংসে সাদমান প্রথম ওভারেই বুমরাহর ইনসুইং বুঝতে না পেরে আউট হয়েছিলেন। তবে দ্বিতীয় ইনিংসে ভালো শুরু করেছিলেন। কিন্তু তিনিও বড় ইনিংস খেলতে পারেননি, রবীচন্দ্রন অশ্বিনের বলে আউট হয়ে ৬৮ বলে ৩৫ রান করেন।
মুমিনুল হক ও মুশফিকুর রহিম ইনিংসের শুরুটা ভালো করলেও বড় ইনিংস খেলতে ব্যর্থ হন। তবে অধিনায়ক শান্ত ওয়ানডে স্টাইলে ব্যাটিং করে ফিফটি তুলে নিয়ে দলকে স্বপ্ন দেখাচ্ছেন। তাকে দারুণ সঙ্গ দিচ্ছেন সাকিব।
ভারতের হয়ে অশ্বিন ৩টি উইকেট নিয়েছেন, আর বুমরাহর শিকার ১ উইকেট।

