জয় আবারো লাইভে এসে বলেছেন, "দেশে চলমান সহিংসতা এবং আইনশৃঙ্খলার অবস্থা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। তিনি সবার প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন, সহিংসতার বিরুদ্ধে সবাইকে সোচ্চার হতে হবে। এই বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ডের ঘটনার কঠোর বিচার দাবি করেছেন। তিনি বলেন, 'যারা দোষী, তাদের শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে, যাতে ভবিষ্যতে এমন ঘটনা আর না ঘটে।' জয় আরও উল্লেখ করেছেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যে সকল ছবি এবং ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে, সেগুলোর মাধ্যমে অপরাধীদের শনাক্ত করতে হবে এবং দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হবে।"
পোস্টে তিনি লেখেন, ‘দেশের সেরা দুটি বিশ্ববিদ্যালয়ে গত রাতে দুজনকে হত্যা করা হয়েছে। মানসিক ভারসাম্যহীন তোফাজ্জলকে হত্যা করা হয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে। মেরে ফেলার আগে খুনিরা তাকে ভাত খাইয়েছে। আর সাবেক ছাত্রলীগ নেতা শামীম মোল্লাকে হত্যা করা হয়েছে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে। যতদূর জানা গেছে, তাকে প্রকাশ্যে তিন দফায় মারা হয়। সবশেষ, শিক্ষার্থীদের জন্য নিরাপদ জায়গা প্রক্টর অফিসের সামনে নিয়ে খুনিরা তাকে হত্যা করে।’
এ ঘটনায় প্রশ্ন ছুড়ে দিয়ে তিনি লিখেন, সব খুনিদের ছবি ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ঘুরে বেড়াচ্ছে। এদের কয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে?
বুধবার মধ্যরাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ফজলুল হক মুসলিম হলের সামনে চোর সন্দেহে তোফাজ্জল হোসেন (৩২) নামে একজনকে পিটিয়ে হত্যা করেছে একদল শিক্ষার্থী। এ ঘটনায় শাহবাগ থানায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন মামলা করেছে। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ছয় জনকে আটক করা হয়েছে।
অপরদিকে, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (জাবি) ছাত্রলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক শামীম আহমেদ গণপিটুনির শিকার হয়েছেন। পরে বুধবার (১৮ সেপ্টেম্বর) রাতে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি।

