বাংলাদেশি পেসাররা সম্প্রতি দুর্দান্ত ফর্মে রয়েছেন, বিশেষ করে পাকিস্তানের বিপক্ষে শেষ সিরিজের পর থেকে। তাদের আগ্রাসী বোলিংয়ের ধার এখনো অব্যাহত আছে, বরং বেড়েছে।
পাকিস্তানের বিপক্ষে দ্বিতীয় টেস্টে ৫ উইকেট শিকারের পর, ভারতের বিপক্ষে প্রথম টেস্টের প্রথম ইনিংসে হাসান মাহমুদও ৫ উইকেট নিয়েছেন। এই অসাধারণ পারফরম্যান্সের ফলে তিনি বাংলাদেশের দ্বিতীয় ফাস্ট বোলার হিসেবে টানা দুই টেস্টে পাঁচ উইকেট শিকার করেছেন, তাও নিজের মাটিতে।
যেসব বোলার বিদেশের মাটিতে ধারাবাহিকভাবে ভালো করেন, আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে তাদের গুরুত্ব বেশি। হাসানের এই পারফরম্যান্স তার অসাধারণ প্রতিভা এবং সম্ভাবনার প্রমাণ, যা বড় বড় ক্রিকেট লিগের দৃষ্টি আকর্ষণ করবে। বিশেষ করে ভারতের বিপক্ষে এমন চমৎকার বোলিং তাকে আইপিএলের জন্য বিশেষভাবে আকর্ষণীয় করে তুলবে।
ভারতীয় কন্ডিশনে সফলতা অর্জনকারী ফাস্ট বোলারদের আইপিএল দলগুলো সবসময়ই পছন্দ করে। যদি হাসান এই সিরিজে তার ফর্ম ধরে রাখতে পারেন, তাহলে আইপিএলে খেলার সুযোগ অনেকটাই নিশ্চিত হবে। নিলামে ভিত্তিমূল্যে ওঠার পরও, অনেক দলই তাকে পেতে আগ্রহী হবে, কারণ বড় ম্যাচে প্রতিপক্ষকে চেপে ধরতে সক্ষম এমন ফাস্ট বোলার প্রতিটি দলের জন্য প্রয়োজন।
বর্তমানে হাসান মাহমুদ ভারতের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন। তার এই প্রচার আইপিএল দলের নজরে আরও বেশি আনছে। এর আগে তাসকিন ও শরিফুলকে আইপিএলে নেওয়ার জন্য বিসিবির কাছে অনুরোধ করা হয়েছিল। এবার অনেক আইপিএল দলই হাসান মাহমুদের দিকে নজর রেখেছে।
জানা গেছে, তাকে দলে নেওয়ার জন্য ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলো ৫-৭ কোটি টাকা পর্যন্ত খরচ করতে প্রস্তুত। তাসকিনের দলের পক্ষ থেকেও ভারতীয় মিডিয়ায় বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।

