কানপুর টেস্টের দ্বিতীয় ইনিংসে দৃষ্টিকটুভাবে উইকেট বিলিয়ে দিয়ে এসেছে বাংলাদেশের ব্যাটাররা। যা নজর এড়ায়নি সেখানে ধারাভাষ্যকার দিতে যাওয়া তামিম ইকবালের। টাইগার সাবেক এ অধিনায়কের ভাষায় বাংলাদেশের ব্যাটারদের আউট হওয়ার ধরন ছিল অদ্ভুত।
চতুর্থ দিনের শেষ বিকেলে হাসান মাহমুদকে নাইটওয়াচম্যান হিসেবে নামিয়েছিল বাংলাদেশ। তবে হাসান রবীচন্দ্রন অশ্বিনকে ছক্কা মারতে গিয়ে উইকেট বিলিয়ে দিয়ে আসেন। পঞ্চম দিনেও উইকেট বিলিয়ে দিয়ে এসেছেন টাইগার ব্যাটাররা। দিনের প্রথম বলেই অশ্বিনকে সুইপ করেন মুমিনুল হক। সুইপই কাল হয়েছে মুমিনুলের, অশ্বিনকে সুইপ করতে গিয়ে লেগ স্লিপে লোকেশ রাহুলকে ক্যাচ দিয়েছেন তিনি।
মুমিনুল ফেরার পরে সাদমান ইসলামকে সাথে নিয়ে জুটি গড়ার দিকে মনোযোগ দিয়েছিলেন নাজমুল হোসেন শান্ত। শুরুটা দারুণ করা শান্তও উইকেট বিলিয়ে দিয়ে এসেছেন। রবীন্দ্র জাদেজাকে রিভার্স সুইপ করতে গিয়ে বোল্ড হয়েছেন টাইগার অধিনায়ক। সাদমান ইসলাম আউট হয়েছেন গালিতে ক্যাচ দিয়ে। সাকিব আল হাসান তো জাদেজাকে ক্যাচ প্রাক্টিস করিয়েছেন।
শান্ত যখন সুইপ করে বোল্ড হন তখন তামিম বলেন, ‘স্ট্রেঞ্জ শট খেলে আউট হয়েছে, ভালো একটা জুটি হতে চলেছিল। এই সময়ে এই সব শটের কোনো প্রয়োজনই ছিল না। এটা গুরুত্বপূর্ণ যে তুমি ভালো সুইপ খেল কি না, ভালো রিভার্স সুইপ খেল কি না। এরপরও এমন সময়ে এই ধরনের শট নিশ্চয়ই তুমি খেলবে না। আর এক ম্যাচে সব ধরনের শটই বা কেন খেলতে হবে!’
শুধু তামিম না বাংলাদেশের ব্যাটারদের শট সিলেকশন দেখে অবাক হয়েছেন ভারতের সাবেক ক্রিকেটার ও ধারাভাষ্যকার রবি শাস্ত্রী। টাইগার ব্যাটারদের শট সিলেকশনকে বাজে বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।



শান্ত, মমিনুল, সাকিব এরা পেশাদার খেলোয়াড় হওয়া সত্বেও দায়িত্বে অবহেলা ও খামখেয়ালী সুলভ শট এর জন্য জরিমানা ও শাস্তি নিশ্চিত করা উচিত। যাতে ভবিষ্যতে খেলার সময় তাদের মাথায় পেশাদারিত্বের ও দায়িত্ব পালনের কথা থাকে এবং লজ্জার ভয় থাকে।
ReplyDelete